বাংলার মন্দির স্থাপত্যের প্রকারভেদ ( Types of Bengal Temple Architecture)

1,377

‘বাংলার স্থাপত্য’ নিয়ে আলোচনা করার আগে , প্রথমেই দু একটা বিষয় স্পষ্ট করে নেওয়া ভালো। স্থাপত্য বিষয়টা হল প্রযুক্তি আর শিল্পকলার এক অপূর্ব মেলবন্ধন ।আমরা, স্থাপত্যের ছাত্ররা মজা করে বলি – আমাদের ভাষা হল নক্সা বা ড্রায়িং।তাই স্থাপত্যের বর্ণনায় তার নান্দনিক দিকটাকে ছোঁয়া গেলেও প্রযুক্তিগত দিকটা বুঝতে গেলে লেখার পাশাপাশি ছবি আর ড্রায়িং গুলোকেও খুঁটিয়ে দেখতে হবে। বাংলার স্থাপত্যকে তাদের গঠন আর জ্যামিতি অনুযায়ী বিভিন্ন গবেষক তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী ভাগ করেছেন।

মধ্যযুগে ‘বাংলা’ অর্থে -আজকের দুই বাংলার সাথে সাথে বিহার , ঝাড়খন্ড আর উড়িষ্যার কোল ছুঁয়ে উল্টো পিঠে ত্রিপুরা আর মেঘালয়ের বিস্তীর্ণ অংশকে বোঝাতো।গত আড়াই হাজার বছর ধরে বাংলাকে কত শত রাজা ,ভূস্বামী ,সামন্ত প্রভু বা জমিদার শ্রেণী শাসন করেছে । তাদের ধর্মবিশ্বাসের ও ভূমিভাগের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন যুগে বাংলায় বিভিন্ন স্থাপত্য ও ভাস্কর্যশৈলীর বিকাশ ঘটেছে। অধিকাংশ সময়েই এই সমস্ত রাজা কিম্বা ভূস্বামীরা আবার একছত্র বাংলাকে তাদের দখলে আনতে পারেন নি । গঙ্গাহৃদি ,গৌড় , পুন্ড্রবর্ধন , বঙ্গ , সমতট , সুহ্ম , রাঢ়  , তাম্রলিপ্তিকা , সামন্তভূম , মল্লভূম , ভুরশুট, হরিকেল ইত্যাদি বিভিন্ন আঞ্চলিক নামে বাংলার বিভিন্ন আংশকে এই সমস্ত শাসকেরা শাসন করেছেন। স্বভাবতই দেখা গেছে একই সময়ে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে সমান্তরাল ভাবে দুটো তিনটে ভিন্ন স্থাপত্য শৈলীর বিকাশ ঘটেছে ,যা পরবর্তীকালে আবার একই সাথে মিশে গেছে । বাংলার স্থাপত্য মানে শুধু বাংলার মন্দির বা মসজিদ নয়। বাংলার স্থাপত্য মানে বাংলার কুঁড়ে ঘর , বাংলার চালা , বাংলার তুলসী মঞ্চ । বাংলার স্থাপত্য মানে মোগলমারির বৌদ্ধ বিহার , প্রত্যন্ত গ্রামের জীর্ণ নীল কুঠি , ভাঙা চোরা জমিদার বাড়ি।বাংলার স্থাপত্য মানে অসাধারন কাঠের কাজের সাথে সাথে টেরাকোটা আর পঙ্খের কাজও । বাংলার স্থাপত্যের বিবর্তন নিয়ে বলতে গেলে পুরুলিয়ার পাঁচ হাজার বছরের প্রাচীন মেগালিথ(Punkri Burwadih Megalith – ঝাড়খণ্ড) গুলো থেকে শুরু করে পাল যুগের বৌদ্ধ বিহার হয়ে, সেন যুগের দেউল ছুঁয়ে , ইসলামী মসজিদ স্থাপত্যের বর্ণনা করে বাংলার টেরাকোটা মন্দির গুলোতে এসে থামতে হয় । এর পরও বাকি রয়ে যায় , ব্রিটিশ , পর্তুগিজ , ফ্রেঞ্চদের মহাসাগর পার করে নিয়ে আসা ইউরোপিয়ান স্থাপত্যের প্রভাবে উদ্ভূত ঔপনিবেশিক স্থাপত্যরীতি । আবার শ্রেণী বিভাগ করতে গেলে শুধু সময় অনুযায়ী  করলেই হয় না , ধর্মভেদেও স্থাপত্যরীতি সম্পূর্ণ আলাদা । এক কথায় অকুল সমুদ্র ।

Types of Bengal Temple Architecture 1
Types of Bengal Temple Architecture 1
Types of Bengal Temple Architecture 2 Chala Temple
Types of Bengal Temple Architecture 2
Types of Bengal Temple Architecture 3 Ratna Temple
Types of Bengal Temple Architecture 3
You will also love:
1 of 9
Types of Bengal Temple Architecture 4 Dalan Temple
Types of Bengal Temple Architecture 4
Types of Bengal Temple Architecture 5 Mancha Temple
Types of Bengal Temple Architecture 5
Types of Bengal Temple Architecture 6 Begunia Temple
Types of Bengal Temple Architecture 6
Types of Bengal Temple Architecture 7 Orissan Inspired Bengal Deul
Types of Bengal Temple Architecture 7
Types of Bengal Temple Architecture 8
Types of Bengal Temple Architecture 8
You will also love:
1 of 2
Types of Bengal Temple Architecture 9
Types of Bengal Temple Architecture 9
Types of Bengal Temple Architecture 10 Math Temple
Types of Bengal Temple Architecture 10

পুরনো স্থাপত্য চিরকালই আমাকে টানে । ছোটবেলায় গল্পের বই পড়ার অঢেল সময় জুটত আর সেই সব বইয়ের পাতায় – ভাঙ্গা দেউলের গর্ভগৃহ , পরিত্যক্ত রাজবাড়ীর খিলান , মাকড়শার ঝুলে ভরা সুরঙ্গ পথ আর শেষে লুকনো গুপ্তধনের বর্ণনা আমার শিশু মনকে ছুঁয়ে যেত । একটু বয়স বাড়লে বাংলার গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে থাকা ছোট বড় অসংখ্য টেরাকোটা মন্দিরের দিকে চোখ পরে । আর্কিটেকচার পড়ার সুবাদে অবশ্য দেশ বিদেশের স্থাপত্য শৈলী নিয়ে পড়াশুনো করতেই হয়। তার সাথে ইতিহাসটাও জড়িয়ে থাকে । গ্রীক , রোমান , গথিক , ইসলামিক , দ্রাবিড় (Dravida) , নাগর (Nagara) , বেশর (Vesara) … আরও কত কি !

সৌন্দর্য বা শৈলীর দিক দিয়ে কেউ কারোর থেকে কম যায়না । তবে খুব আশ্চর্যের ব্যাপার হল , কোন অদ্ভুত কারনে – বাংলার এই পোড়ামাটির মন্দির গুলোর প্রতিই আমি এক অমোঘ আকর্ষণ অনুভব করি।

বাংলার পোড়া মাটির অধিকাংশ মন্দিরই আকারে – আয়তনে তেমন বড় নয় । অন্তত দক্ষিণের পাথর দিয়ে তৈরি দশাসই মন্দির গুলোর তুলনায় তো কিছুই নয় । দক্ষিণের মন্দির গুলোর সামনে দাঁড়ালে তার গগনচুম্বী চূড়া যেন, আমাদের নিজস্ব সত্ত্বাকে ছাপিয়ে ধর্মের পরাক্রম আর বিশালত্বের সামনে মাথা নত করতে বাধ্য করে । সেখানে আমাদের বাংলার ছোট্ট ছোট্ট মন্দির গুলোর অনুপ্রেরনা হল গ্রামের সাধারন মানুষের কুঁড়েঘর ; সেখান থেকেই দো-চালা বা চার-চালা মন্দির গুলোর উৎপত্তি । এক কথায় বাংলার মন্দির গুলো – আকারে , আয়তনে , শৈলীতে যেন আমাদের খুব কাছের । মন্দির গুলো যেন বানানোই হয়েছিল সাধারনের কথা ভেবে । আড়ম্বর আর নান্দনিকতার প্রকাশ পেয়েছে অপরুপ সব টেরাকোটার মধ্যে দিয়ে । বাংলায় দানবাকৃতি স্থাপত্য নির্মাণের মধ্যে দিয়ে ধর্মের দম্ভ বা শক্তির প্রকাশ সেরকমভাবে পায়নি । পুকুরের ধারে , বটের ছায়ায় , এঁকে বেঁকে চলা সুঁড়ি পথের দুধারে , পরিত্যক্ত নদী খাতের পাড়ে – আমাদের বাংলার মন্দিরগুলো নিজের স্বকীয়তা বজায় রেখেই গ্রামীন সমাজের সাথে মিশে রয়েছে । এই বিষয়গুলোই আমাকে আকর্ষণ করে ।

Evolution & Time frame of Bengal Temple Architecture
Evolution & Time frame of Bengal Temple Architecture

যাইহোক , এই টেরাকোটার উপর কিছু কাজ করার সুবাদেই বাংলার বিভিন্ন মন্দির শৈলীকে নিবিড় ভাবে জানার চেষ্টা করেছি । কাজ করতে গিয়ে দেখেছি , বাংলার মন্দির গুলোকে শৈলী , নির্মাণকাল আর জ্যামিতি অনুযায়ী বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ভাবে বর্ণনা করা আছে । চেষ্টা করলাম সমস্তটাকে একত্র করার । যদি ভুলবশত কিছু বাদ গিয়ে থাকে , তবে আশা করি আপনারা সাহায্য করবেন তালিকাটাকে সম্পূর্ণ করতে ।

 

Types of Bengal Temple Architecture in Bengali 1

 Classification of bengal Temple Architecture type hindu bangladesh chala ratna deul Types of Bengal Temple Architecture in Bengali 2

এখন পর্যন্ত বাংলার টেরাকোটা মন্দির স্থাপত্যকে ভালোবেসে যতজন  কাজ করেছেন তার মধ্যে ডেভিড সাহেবের কাজকেই পথিকৃৎ হিসেবে ধরা হয়। নীচে  ‘Late Mediaeval Temples of Bengal’ বইটার ছবির উপর ক্লিক করলেই একটা ওয়েবসাইট খুলবে যার নীচের দিকে বইটার বেশ কিছুটা অংশ প্রিভিউ হিসেবে পাবেন । সেখানে ম্যাকাচ্চিন সাহেবের করা বাংলার মন্দিরের ‘Basic Division’টা দেওয়া আছে । এছাড়াও এই প্রত্যেকটা বিভাগের মধ্যে আবার জ্যামিতি ও জেলাভিত্তিক অসংখ্য উপবিভাগ রয়েছে । বিশদে জানার জন্য বইটায় চোখ বোলাতে পারেন ।

ডেভিড বাবু ,  ছয় মাসের চুক্তিতে বিশ্বভারতীতে ইংরিজি ভাষা পড়ানোর জন্য প্রথম বাংলায় আসেন । বহুদিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন । সম্ভবত ১৯৬০ সাল নাগাদ সত্যজিৎ রায়ের সাথে তার আলাপ (সত্যজিৎ রায়ের বহু সিনেমার সাবটাইটেল এই ডেভিড সাহেবের লেখা । এমনকি ফেলুদার এক গল্পেও ডেভিড বাবুর উল্লেখ আছে ) এবং ১৯৬২ সালে অভিযান সিনেমার শুটিংয়ের সময় প্রথম বীরভূমের পোড়ামাটির মন্দির দেখে তার এই বিষয়ে আগ্রহ জন্মায় । পরবর্তী দশবছর অধ্যাপনার সাথে সাথে প্রায় গোটা বাংলা চষে বেরিয়েছেন , অসংখ্য ছবি তুলেছেন এবং বাংলার মন্দির , পটশিল্প সহ বিভিন্ন লোকশিল্পের উপর অমূল্য গবেষণা করেছেন ! ১৯৭২ সালে মাত্র ৪১ বছর বয়সে তার অকাল প্রয়ান হয় । David McCutchion সম্বন্ধে আরো জানতে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

বছরখানেক আগে আমি যখন এই শ্রেনিবিভাগটা করি তখন  David McCutchion‘ সাহেবের ‘Basic Division’টা না দেখেই করেছিলাম । ফলে আমার চার্টের মধ্যে সামান্য কিছু ত্রুটি রয়ে গেছে । নিঃসন্দেহে ডেভিড সাহেবের শ্রেনিবিভাগ সম্পূর্ণ ও ত্রুটিমুক্ত ।

দুই বন্ধু - ম্যাকাচ্চিন সাহেব এবং সত্যজিৎ রায় Satyajit Roy David Mccutchion
দুই বন্ধু – ম্যাকাচ্চিন সাহেব এবং সত্যজিৎ রায়

শেষে কয়েকটা কথা না বললেই নয় । অমিয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ,ডেভিড ম্যাকাচ্চেন , হিতেশরঞ্জন সান্যাল, সুহৃদকুমার ভৌমিক, মুকুল দে, তারাপদ সাঁতরার মত কিছু পথিকৃৎ, বাংলাকে ভালোবেসে , তার ইতিহাস ,সংস্কৃতি আর কৃষ্টির খোঁজে অভিযান শুরু করেছিলেন । আজও বাংলার বুকে কিছু গুণী মানুষ নিঃশব্দে কাজ করে চলেছেন । বাংলার এই প্রতিটা মন্দির , প্রতিটা টেরাকোটার ফলক হল আমাদের এই বাংলাদেশের সভ্যতার , সংস্কৃতি , ইতিহাস আর সমাজচিত্রের জীবন্ত দলিল । ভারতবর্ষের আর কোথাও মন্দির স্থাপত্যে এত বৈচিত্র্য দেখা যায়না ।ভারতবর্ষের আর কোথাও এভাবে মন্দির ভাস্কর্যের মধ্যে গ্রামীণ সমাজচিত্র ফুটে ওঠেনি । ষোড়শ শতকের পর বাঙালির শুধু স্বতন্ত্র জাতি সত্তারই বিকাশ ঘটেনি , তার সাথে সাথে বাঙালি অজস্র পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে খুঁজে পেয়েছিল তার নিজস্ব স্থাপত্যশৈলীকে।

অথচ আজ যখন সিমেন্টে আর আধুনিক পেইন্টের কোটিং এর নীচে চাপা পরতে দেখি সবকিছু , যখন দেখি অপূর্ব সুন্দর টেরাকোটার ফলকের জায়গায় মেরামতির নামে সারদার ছাপ দেওয়া সাদা টাইলস বসছে , যখন দেখি অবহেলায় অনাদরে স্থাপত্যের কঙ্কালটুকু পরে রয়েছে , গর্ভগৃহ পরিনত হয়েছে গোয়ালে – তখন মনে হয় অসাধারন স্থাপত্য আর পোড়ামাটির ভাস্কর্যের সাথে সাথে- হারিয়ে গেল আমাদের গর্ব ,আমাদের বাঙ্গালিয়ানা , আমাদের স্বকীয়তা আর ইতিহাস । লেখাটা পড়ে যদি আপনাদের একজনের মনেও – বাংলার এই অগাধ ঐশ্বর্যের প্রতি বিন্দুমাত্র আগ্রহ জন্মায় , তবে জানব আমার এই পরিশ্রম সার্থক ।

নীচে David সাহেবের কিছু বইয়ের লিঙ্ক দেওয়া হল । প্রথম ছবিটার উপর ক্লিক করলেই (Late Mediaeval Temples of Bengal) , একটা লিঙ্ক খুলবে যেখানে বইটার বেশ কিছুটা অংশ Preview হিসেবে দেওয়া আছে । যারা সত্যিই বাংলার মন্দির স্থাপত্যের জানতে আগ্রহী তাদের এই বইটা নিশ্চয়ই সংগ্রহ করা উচিত ।  গত বইমেলায় আমি এশিয়াটিক সোসাইটির স্টল থেকে বইটা কিনেছিলাম ; যতদূর মনে আছে দাম – ৩০০ টাকা !

 

Read More Articles :

যদি কলকাতা শহর তৈরিই না হত ? 

সরস্বতীর উৎস সন্ধানে – In Search Of Lost River Saraswati

‘পানাম’ – বাংলার এক হারানো শহর (Panam – A Forgotten City Of Bengal)

বাংলার মন্দির স্থাপত্যের প্রকারভেদ ( Types Of Bengal Temple Architecture)

সমুদ্রগর্ভে হারানো সভ্যতা (A Tale of the Lost Underwater Cities )

বাংলার গ্রামীন স্থাপত্য (Vernacular Architecture of Bengal)

 

Hits: 38464

Subscribe to our newsletter
Sign up here to get the latest news, updates and special offers delivered directly to your inbox.
You can unsubscribe at any time

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. Ramkrishna Baral says

    দুর্দান্ত লেখা……

  2. […] প্রকারভেদ সম্পর্কিত পোষ্টটি পড়তে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে […]

  3. S Chakraborty says

    ছবিগুলো দেখা যাচ্ছে না।

  4. shantanu sanyal says

    Nice collection and information, all the best

  5. শিবাজি says

    তথ্য গুলো পরতর্তি কোন প্রজন্মের রিসার্স এর জন্য প্রশংসনিয় হবে।

  6. Amrita Mukherjee says

    Clap clap clap clap clap! Sab take ek jaygay eto chotto sundor bhabe present korar jonyo.

  7. ANURUP says

    We are hopping to get new information of our ancient culture.
    Thanks

    1. Arunava Sanyal says

      Keep following my blog. 🙂

  8. Mriganka says

    Ami bhalo bole tomar kaj ta eriye jachhi na. Ekjon UG student hisabe kaj ta khoob bhalo holeo itihas er dikta aro bhalo kore dekte hobe. 1. Time of construction
    2. Fund ( rajkosh / private)
    3. Banglar nijoshya riti bolte ei guli kei keno bojhay.
    4. E guli puropuri amader noy, baire theke technology esechilo.

    1. Arunava Sanyal says

      Ami ekhane sudhu different classification guloke tule dhorechi. Ichhe ache pore detail e Banglar Temple Architecture er history niye lekhar. 🙂

  9. Dibyendu Das says

    Khub valo. Vabai jai na.

    1. Arunava Sanyal says

      Dhonyobad 🙂

  10. madhumangal das says

    অরুনাভ, অসাধারণ সংগ্রহ । বি ই কলেজের প্রাক্তনী হিসেবে তুমিই বলছি । দারুণ কাজ করেছো । এই ব্লগটির দরকার ছিল খুবই । মন্দির গুলির গঠনশৈলীর আর একটু বর্ণনা পেলে আরো ভালো হবে মনে হয় । সংগ্রহে রেখে দেওয়ার মতো লেখা । যেহেতু তুমি ভ্রমনও করো, জায়গাগুলির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা ও কিভাবে যাওয়া যায় তা পেলে ব্যাপারটা সোনায় সোহাগা হয় ।

    1. Arunava Sanyal says

      http://www.aishee.org/temples.php – Apni ei link ta dekhte paren. Asha kori apnar khub subidha hobe. Pore somoy pele amaro ichhe ache detail e travelogue lekhar.

error: যোগাযোগ করুন - info.sthapatya@gmail.com